Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

গ্রামের শালিশ বিচারে অপরাধিকে মাপ চাওয়ানোকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার

গ্রামের শালিশ বিচারে অপরাধিকে মাপ চাওয়ানোকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের সোনাউটা গ্রামে সম্প্রতি এক শালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে উত্তেজনা ও নানা অপপ্রচার। জানা যায়, স্থানীয় একটি বিরোধের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রামের গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে দোষ স্বীকার করে প্রকাশ্যে মাফ চান। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে শুরু হয় নানা বিতর্ক।

এলাকাবাসীর দাবি, সঠিক বিচার করায় এখন সেই বিচারকদের বিরুদ্ধেই শুরু হয়েছে অপপ্রচার। বিশেষ করে আমুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির মোল্লা এবং ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন জমাদ্দার–এর নাম টার্গেট করে রাজনৈতিকভাবে ছোট করার চেষ্টা চলছে। এসব অপপ্রচার ছড়াচ্ছে স্থানীয় প্রবাসী সহিদ হাওলাদারের মেয়ে সারমিন, এমনটাই জানিয়েছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের মতে, শালিশ বৈঠকে সারমিনের আত্মীয়র এক পক্ষের ভুল প্রমাণিত হওয়ায় গ্রামের গণ্যমান্যরা তাকে মাপ চাওয়ার নির্দেশ দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সারমিন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ও এলাকায় নেতিবাচক বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করছেন, বিচারটি পক্ষপাতমূলকভাবে করা হয়েছে। কিন্তু উপস্থিত অধিকাংশ গ্রামবাসী বলছেন, বিচারটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সত্যের ভিত্তিতে করা হয়েছিল।

Banner Ad

📞 যোগাযোগ: ০১৭১৫৭৪৩৭৭১

সারমিনের পিতা সহিদ হাওলাদার জানান, “আমার মেয়ে এখন বিদেশ থেকে আসা কিছু লোকের কথায় প্রভাবিত হচ্ছে। আমি নিজেও বলেছি—এইভাবে অন্যের বিরুদ্ধে কথা না বলতে। কিন্তু সে আমার কথাও শোনে না।” সহিদ আরও বলেন, “আমি চাই গ্রামের শান্তি ফিরে আসুক। কেউ যেন ব্যক্তিগত ক্ষোভে গ্রামের ঐক্য নষ্ট না করে।”

এ বিষয়ে ইউনিয়নবাসীর একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, “আমরা নিজের চোখে দেখেছি—বিচারে সবার বক্তব্য নেওয়া হয়েছিল। ছাত্রদল সভাপতি সাব্বির মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক মামুন জমাদ্দার দুজনেই খুব ন্যায়নিষ্ঠভাবে বিষয়টি পরিচালনা করেছেন। এখন তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা অনেক সময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছে হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন সচেতন মহল।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও সচেতন নাগরিকরা সবাইকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, “সত্য একদিন নিজেই প্রকাশ পাবে, মিথ্যার কোনো জায়গা নেই।”


🕓 প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৫

👉 সংবাদটি শেয়ার করুন:

Facebook Twitter WhatsApp

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ