Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

কাঠালিয়ায় বিষখালি নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ সংরক্ষণ: তিন জেলে আটক ও দণ্ডিত

কাঠালিয়ায় বিষখালি নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ সংরক্ষণ: তিন জেলে আটক ও দণ্ডিত
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালীন তিন জেলে আটক হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধভাবে মা ইলিশ সংরক্ষণের অপরাধে তাদের আটক করে পরবর্তীতে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে) সকালে কাঠালিয়া উপজেলার বিষখালি নদীর বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও নৌ পুলিশের যৌথ অভিযানে এ ঘটনা ঘটে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জহিরুল ইসলাম। অভিযান চলাকালীন বিষখালি নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে মা ইলিশ সংরক্ষণ, বিক্রয় ও আহরণের অভিযোগে তিনজন জেলেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ঝোপখালি গ্রামের আরিফ মৃধা, সুজন মৃধা ও মিলন মৃধা। ইউএনও জহিরুল ইসলাম জানান, সরকার ঘোষিত ইলিশ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ, বিক্রি ও সংরক্ষণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ সময়ে ইলিশ ধরা বা সংরক্ষণ করলে সেটি আইনত অপরাধ বলে গণ্য হবে। অভিযান চলাকালে তিন জেলেকে হাতে-নাতে ধরা হয় এবং ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের প্রত্যেককে মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তিনি আরও জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিষখালি নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে কেউ ইলিশ ধরা বা বিক্রির কাজে সম্পৃক্ত হতে না পারে। এ সময় মৎস্য অফিসার, নৌ পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আটককৃতদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নিষিদ্ধ ইলিশ মাছ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। সরকার প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখে, যাতে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে জেলেদের বিকল্প জীবিকার জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করে থাকে। কিন্তু তবুও কিছু অসাধু ব্যক্তি আইনের তোয়াক্কা না করে নদীতে মাছ ধরে, যা ইলিশের প্রজনন ব্যাহত করে এবং দেশের সম্পদ ধ্বংস করে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইলিশ সংরক্ষণে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নদীপাড়ের এলাকায় প্রচারণা চালানো হচ্ছে। কাঠালিয়া উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, সরকার যদি এভাবে নিয়মিত অভিযান চালায়, তবে ভবিষ্যতে ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং নদীতে আগের মতো ইলিশের প্রাচুর্য ফিরে আসবে। নতুন সংবাদ পেতে চোখ রাখুন jhalokhati news

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ